গৃহকর্তা নাসির খন্দকার জানান, তাঁর ছেলে ঢাকায় থাকেন। তাঁর অসুস্থতার খবর শুনে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ঢাকায় ছেলের কাছে এসেছেন। বাড়িটি দেখাশোনার জন্য কহিনূর বেগম নামের এক নারীকে রেখে আসেন। কহিনূর গতকাল তাঁর বাবার অসুস্থতার খবর শুনে বাবার বাড়িতে গিয়েছিলেন। রাতে আর ফেরেননি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে এসে দেখেন, ঘরের তালা কাটা। ভেতরে ঢুকে দেখেন, ঘরের বিছানাপত্র, শোকেসের মালামাল ও অন্যান্য আসবাব ঘরের মেঝেতে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে। এরপর তিনি প্রতিবেশীদের ডাকেন। পরে বাকেরগঞ্জ থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ ঘরের দরজায় নতুন তালা লাগিয়ে চাবি কহিনূর বেগমের জিম্মায় দিয়ে এসেছে।

নাসির খন্দকার প্রথম আলোকে বলেন, ঘরে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র ছিল। এখন কী পরিমাণ মালামাল খোয়া গেছে, তা বাড়িতে না ফিরে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলাউদ্দীন মিলন প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনা শোনার পর কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাননি। এরপরও চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে পুলিশ।