পরবর্তী সময় স্পিডবোট ও লাইফবোটে ইয়াবা নিয়ে অন্য জায়গায় যাবেন। পরে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে এক লাখ ইয়াবাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা র‌্যাবের কাছে স্বীকার করেন, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই টেকনাফের সীমান্ত এলাকা মিয়ানমার থেকে সাগরপথে মাদকজাতীয় দ্রব্য ইয়াবা সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে আসছেন। তাঁরা এলাকায় বিভিন্ন কাজের আড়ালে মাদক পরিবহন করছেন।

গ্রেপ্তার আবদুল মালেক স্পিডবোট ও পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের নিরাপত্তাপ্রহরী। মালেকের বাড়ি আনোয়ারা উপজেলার গহিরা এবং তিনি এই এলাকার ইয়াবা ব্যবসায়ী। তাঁর সঠিক সংকেতের ওপর ভিত্তি করেই স্পিডবোট ইয়াবা নিয়ে সমুদ্রসৈকতে আসে। তিনি মাদকদ্রব্যের চালান গ্রহণ করে তা বিক্রি করেন। আরেক আসামি নিজামুদ্দিন মূলত স্পিডবোটের চালক। সম্প্রতি পোশাক কারখানায় চাকরি নেন।

ছুটির দিনে অবৈধ মাদক আনার বাহক হিসেবে কাজ করেন। পায়ে জন্মগত ত্রুটি থাকা প্রতিবন্ধী হাসান মিয়া বেশির ভাগ সময় টেকনাফে থাকেন। ইয়াবার চালান আনার জন্য টেকনাফ থেকে তিনি সবকিছু গুছিয়ে দেন। প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাঁকে কেউ সন্দেহ করে না।

র‌্যাব কর্মকর্তা নুরুল আবছার আরও বলেন, মাদকের তথা ইয়াবার বড় চালানগুলো টেকনাফ থেকে সাগরপথে মহেশখালী-কুতুবদিয়া হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে নিয়ে আসার কথা স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তার আসামিরা। ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় মামলা হয়েছে।