গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে ধর্ষণের মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, বাদী নিজে পোশাক কারখানার শ্রমিক এবং তাঁর স্বামী একজন রাজমিস্ত্রি। তাঁদের প্রতিবন্ধী মেয়েও স্থানীয় একটি হোসিয়ারি কারখানায় চাকরি করছে। আশিষ কুমারও একই হোসিয়ারিতে কাজ করে। গত ১৪ মে রাত সাড়ে আটটায় হোসিয়ারী কারখানা ছুটি হওয়ার পর ওই যুবক মেয়েটিকে ফুসলিয়ে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী কিনে দেওয়ার কথা বলে নিজ বাসায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে না বলতে কিশোরীকে হত্যার হুমকি দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, ৬ জুলাই ওই কিশোরীর পেটের ব্যথা শুরু হয়। তাঁকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বাদীকে জানান, তাঁর মেয়ে দেড় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তখন মেয়েকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে সে তাঁদের কাছে সব কিছু খুলে বলে। গত ১৫ জুলাই শুক্রবার মেয়েটি অভিযুক্ত যুবক কুমার নন্দীকে শনাক্ত করে।

মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হানিফ মিয়া বলেন, প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তাঁর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন