শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খালিয়াজুরি, মদন, মোহনগঞ্জ ও কলমাকান্দার আংশিক উপজেলা হাওরাঞ্চল। বর্ষা মৌসুমে এমনিতেই ঝুঁকি নিয়ে ওই এলাকার শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। বন্যার কারণে ঝুঁকি আরও বেড়েছে। বিভিন্ন বিদ্যালয়ের আশপাশে পানি থাকায় অনেক শিক্ষার্থী গতকাল খোলার দিনও অনুপস্থিত ছিল।

কলমাকান্দার বাসাউড়া আমতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঈন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়টি ১৬ জুন থেকে পানিবন্দী ছিল। দুই দিন আগে পানি নেমেছে। এখনো মাঠে হালকা পানি আছে। রোববার খোলার দিন কিছু শিশু শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিল।’

কলমাকান্দার ডুবিয়ারকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মণি রানী সাহা বলেন, ‘দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর রোববার থেকে স্কুল খোলা হয়েছে। স্কুলে এসে শিক্ষার্থীদের দেখে খুব ভালো লাগছে। এত দিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় নিরানন্দের মধ্যে কেটেছে। তবে বন্যায় বিদ্যালয়ে আসা–যাওয়ার রাস্তাটি ভাঙাচোরা ও কিছু স্থানে পানি থাকায় ছোট শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কিছুটা কম।’

ডুবিয়ারকোনা গ্রামের শিক্ষার্থীর অভিভাবক আনিছুর রহমান বলেন, স্কুল খুলেছে, তবে ছোট বাচ্চাদের এখনো ইস্কুলে পাঠানোর পরিবেশ তৈরি হয়নি। রাস্তায় পানি জমে আছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল্লাহ বলেন, এক মাস পর গতকাল সব স্কুল খোলা হয়েছে। তবে এখনো ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি। দুই–এক দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন