ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম বলেন, রংমহল এলাকার মো. আজিম উদ্দিনের বাড়িতে সেপটিক ট্যাংক খনন করার সময় মাটির নিচে লম্বা ও গোলাকৃতির একটি লোহার বস্তু পাওয়া যায়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সময়ের অবিস্ফোরিত মর্টার গোলা বলে নিশ্চিত করে। পরবর্তী সময়ে সেটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, লোহার বস্তুটি অবিস্ফোরিত মর্টারের গোলা। গোলাটি উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তর করার পর সেনাবাহিনীর রামু ক্যান্টনমেন্টকে জানানো হয়। আজ সকালে সেনাবাহিনীর একটি দক্ষ দল এসে ওই অবিস্ফোরিত মর্টার গোলাটির নিরাপদ বিস্ফোরণ ঘটায়।