বহিষ্কার হওয়া ছাত্রলীগ নেতা মো. মুশফিক তাহমিদ তন্ময় ছাত্রলীগের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ মখ্দুম হলে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় মো. মুশফিক তাহমিদ তন্ময়কে (সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হলো।’

গত ২৬ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় এ ইউনিটের দ্বিতীয় শিফটে তানভীর আহমেদ নামের এক শিক্ষার্থীর পরিবর্তে পরীক্ষা দেন বায়েজিদ খান নামের একজন শিক্ষার্থী। সত্যেন্দ্রনাথ বসু একাডেমিক ভবনের ৩০১ নম্বর কক্ষে প্রক্সি দেওয়া অবস্থায় ধরা পড়েন তিনি। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁকে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ছাত্রলীগ নেতা মুশফিকের নাম বলেন বায়েজিদ খান। তিনি বলেন, তাঁকে মুশফিক এ কাজে নিয়োগ দিয়েছেন।

এ নিয়ে গত ২৭ জুলাই প্রথম আলোর অনলাইনে, ‘প্রক্সি পরীক্ষা’ দিতে গিয়ে আটক শিক্ষার্থী বললেন ‘জড়িত’ ছাত্রলীগ নেতার নাম, শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এরপর বিষয়টি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।

এ বিষয়ে কথা বলতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়াকে কল করা হলে তিনি তা কেটে দেন। পরে সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বলেন, প্রক্সিতে ওই নেতার নাম আসায় তাঁরা এই অভিযোগ কেন্দ্রীয় কমিটিকে অবগত করেন। পরে তাঁরা বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন