আজ বেলা দুইটার দিকে অগ্নিদগ্ধ রিপনের ফুফাতো ভাই শাহিনুর রহমান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, রামেক হাসপাতাল থেকে হালিমাকে ঢাকায় নেওয়ার পথে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী-নাটোর সড়কের বানেশ্বর এলাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। রিপনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তিনি বর্তমানে রামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন।

পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা খালিদ সাইফুল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত ১১টার দিকে ওই দম্পতিকে হাসপাতালে আনা হয়। তখন দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক ছিল। হালিমার শরীরের ৮০ শতাংশের ওপরে পুড়ে গেছে। রিপনের শরীরের প্রায় ৬৫ শতাংশ দগ্ধ। দুজনেরই শ্বাসনালি দগ্ধ হয়েছে। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তৎক্ষণাৎ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।

পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামসুল আলম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। তবে বিষয়টি সর্বাত্মক গুরুত্ব দিয়ে ইতিমধ্যে তদন্তকাজ শুরু করা হয়েছে। এটা নাশকতা কর্মকাণ্ড, দুর্ঘটনা নাকি আত্মহত্যার চেষ্টা তদন্ত করে আসল সত্য খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

নওগাঁর পত্নীতলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফতাব উদ্দিন বলেন, ‘গতকাল অগ্নিদগ্ধ রিপনের বক্তব্যের সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর কোনো মিল পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ ঘটনাকে আমাদের কাছে নাশকতা কর্মকাণ্ড মনে হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, মশার কয়েল থেকে সূত্রপাত হওয়া আগুনে তাঁরা দগ্ধ হতে পারেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টা চলছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন