নড়াইলের লোহাগড়া থানার কামঠানা গ্রামের পাপ্পু বিশ্বাস স্বর্ণালংকারের ব্যবসা করেন। যশোর জেলা শহরে তাঁর একটি সোনার দোকান রয়েছে। ৭ জুলাই রাতে ভাঙ্গা বাজারের কয়েক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১১০ ভরি সোনা কেনেন পাপ্পু বিশ্বাস। সোনা কিনে যাওয়ার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভাঙ্গা বাজারে তাঁর গতিরোধ করেন এএসআই বাবুল হোসেন ও তাঁর সহযোগী মেহেদী হাসান। এ সময় পুলিশ সদস্য পাপ্পুর কাছে থাকা সোনা অবৈধ বলে ছিনিয়ে নেয়। পাপ্পু তাঁর ব্যবসায়িক কাগজপত্র দেখালেও ৪০ ভরি সোনা রেখে বাকিটা ওই ব্যবসায়ীকে ফেরত দেন এএসআই বাবুল। এ ঘটনার ছয় দিন পর পাপ্পু বাদী হয়ে থানায় ১৩ জুলাই মামলা করেন।

ওই দিনই এএসআইসহ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে ভাঙ্গা থানার পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাঁদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এএসআই বাবুলের ভাঙ্গা পৌরসভার কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লার বাসা থেকে ছিনতাই হওয়া সোনা উদ্ধার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) ফাহমিদা কাদের চৌধুরী বলেন, এ মামলায় গ্রেপ্তারের পর এএসআই বাবুলকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান বলেন, বিভাগীয় তদন্তের স্বার্থে এএসআই বাবুল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে তা করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন