র‍্যাব-৯–এর সহকারী পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. ইকরামুল আহাদ স্বাক্ষরিত ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব-৯–এর একটি দল উপজেলার রনকেলী গোলোপাড় এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় অবৈধ অত্যাধুনিক রকেট লঞ্চার অ্যামুনেশনসহ শেখ আলী হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। রকেট লঞ্চারটি বিপজ্জনক হওয়ায় নিরাপত্তার কারণে আদালতের অনুমতিক্রমে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের প্রতিনিধি, স্থানীয় সাংবাদিক, স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে র‌্যাব-৯–এর বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড ঘটনাস্থলের পাশের একটি খোলা জায়গায় নিরাপদ স্থানে বিধিমোতাবেক নিরাপদে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি অবৈধভাবে রকেট লঞ্চার নিজ হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাঁকে অস্ত্র আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে রকেট লঞ্চার উদ্ধারের পর সিলেটজুড়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শেখ আলী হোসেন পারিবারিকভাবে গোলাপগঞ্জে একটি স্টুডিও পরিচালনা করেন। তবে তিনি কীভাবে অস্ত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন সেটি কেউ বলতে পারছেন না।

গোলাপগঞ্জ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার শেখ আলী হোসেনকে গতকাল বুধবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রকেট লঞ্চারটি কীভাবে ওই যুবকের কাছে এসেছে সেটি নিয়ে তদন্ত চলছে। আলী হোসেনকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন জানানো হবে। তবে আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়নি বলে জানান তিনি।