পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে ইয়াবা বড়ি বিক্রির জন্য উপজেলার খাদ্যগুদাম এলাকায় ক্রেতার জন্য অপেক্ষা করছিলেন জামাল। খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নির্মল ত্রিপুরা অভিযান চালিয়ে জামালকে গ্রেপ্তার করেন। পরে সীতাকুণ্ড থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আরও একটি মামলা করেন তিনি। এ নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ৯টি মাদক মামলা করা হলো।

সীতাকুণ্ড থানার এসআই নির্মল ত্রিপুরা প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৬ সালে জামাল উদ্দিন মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। ওই বছর জানুয়ারিতে তিনি প্রথমবার ধরা পড়ে কারাভোগ করেন। চার মাস পর জামিনে এসে আবারও মাদক নিয়ে ধরা পড়েন। এরপর নয়বার জেলে গিয়ে জামিনে এসে আবারও শুরু করেন মাদক ব্যবসা। মঙ্গলবার বিকেলে সে দশমবারের মতো মাদক নিয়ে ধরা পড়েছে।  বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হবে।

সীতাকুণ্ড থানার এসআই হারুনুর রশীদ বলেন, জামালের বিরুদ্ধে ১০টি মামলা তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের মার্চে প্রথম মামলা হয় বিশেষ ক্ষমতা আইনে। একাধিকবার জেল খেটে পরে মাদক কারবারি হয়ে উঠেন জামাল।