পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লাভলী আক্তারের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হতো শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত একটার দিকে তাঁদের মধ্যে কয়েক দফা ঝগড়ার শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। আজ রোববার ভোরে আবারও তাঁদের মধ্যে ঝগড়ার শব্দ শুনতে পান প্রতিবেশীরা। সকালে লাভলী আক্তারের শয়নকক্ষে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে তাঁদের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে লাভলী আক্তারের স্বামী সুজন মিয়াসহ শ্বশুরবাড়ির সবাই পলাতক।

রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জানান, পারিবারিক কলহের জেরে ধরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন তাঁরা। নিহতের স্বামীসহ বাড়িটির পলাতক সদস্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আজ রাতেই নিহতের স্বজনেরা মামলা করতে আসবেন বলে জানান তিনি। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।