রাজশাহীতে ফেস্টুন ছেঁড়ার অভিযোগে জামায়াতের দুই কর্মীকে মারধর, আটক ১
রাজশাহীর বাগমারায় ফেস্টুন ছেঁড়ার অভিযোগে জামায়াতের এক কর্মী ও তাঁর চাচাকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় জামায়াত কর্মীর চায়ের দোকানেও হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের তেলিপুকুর গাঙ্গোপাড়া বাগবাজারে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে বিএনপির সমর্থক শান্ত (২২) নামের এক তরুণকে আটক করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে তেলিপুকুর গাঙ্গোপাড়া বাগবাজারের জামায়াতের কর্মী এনামুল হক (২৭) তাঁর দোকানে বসে বেচাকেনা করছিলেন। রাত সাড়ে আটটার দিকে ধানের শীষের স্থানীয় দুই সমর্থক শান্ত (২২) ও আবদুল হামিদ (৪৪) বাজারে লাগানো বিএনপির প্রার্থীর ফেস্টুন ছেঁড়ার জন্য এনামুল হককে দায়ী করেন। বাগ্বিতণ্ডার এক পর্যায়ে জামায়াতের কর্মী চা–দোকানি এনামুল হককে কাঠের লাঠি দিয়ে মারধর করেন। এতে তাঁর বুক ও হাঁটুতে আঘাত লাগে এবং রক্তপাত হয়। এ সময় চা–দোকানির চাচা মোজাম্মেল হক এগিয়ে এলে তাঁকেও পেটানো হয়। এ সময় দোকানের জগ, চেয়ার, টেবিলসহ মালামাল ভেঙে ফেলা হয়েছে।
পরে জামায়াতের লোকজন ঘটনাস্থলে আসেন এবং উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ভবানীগঞ্জের একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আহত জামায়াত কর্মী এনামুল হক অভিযোগ করে বলেন, পরিকল্পিতভাবে তাঁর ওপর হামলা করা হয়েছে। কোনো ফেস্টুন ছেঁড়া হয়নি এবং কাউকে ছিঁড়তেও দেখেননি।
বিএনপির গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ফেস্টুন ছেঁড়া নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে আমাদের (বিএনপির) কোনো অভিযোগ নেই, জামায়াতেরও অভিযোগ নেই। উভয়ের মধ্যে একটা ভুল–বোঝাবুঝি হয়েছে।’
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম জানান, অভিযুক্ত শান্তকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।