ওই দাবি আদায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে ১৩ নভেম্বর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ ও মানববন্ধন। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান। 

সভায় হাসপাতাল বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ফারাজী আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য দেন কমিটির আহ্বায়ক আবুল হোসেন, সদস্যসচিব জিল্লুর রহমান, রাজনীতিক ইকবাল কবির, হাচিনর রহমান প্রমুখ।

কমিটির সদস্যসচিব জিল্লুর রহমান বলেন, যশোর, নড়াইল, ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলার অন্তত ২০ লাখ মানুষ যশোর জেনারেল হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল। ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে। ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ রোগী ভর্তি থাকে। ফলে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা থেকে মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে।

জিল্লুর রহমান বলেন, ২০১১ সালে যশোর মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হয়েছে। কিন্তু ২০২২ সালেও ক্যাম্পাসে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়নি। যশোরের পর প্রতিষ্ঠিত হলেও সাতক্ষীরা ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল চালু হয়েছে। 

উল্লেখ্য, যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় হরিনার বিলে ৭৫ বিঘা জমিতে নিজস্ব ক্যাম্পাসে কলেজ ভবনে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যশোর মেডিকেল কলেজের একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ কলেজের সঙ্গে হাসপাতাল না থাকায় পড়াশোনায় অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।’

যশোর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মহিদুর রহমান বলেন, মেডিকেল কলেজের সঙ্গে হাসপাতাল থাকতেই হবে। এটি নিয়ম। যশোর মেডিকেল কলেজের ৫০০ শয্যার হাসপাতাল স্থাপনের জন্য ভারতের সঙ্গে একটা চুক্তি ছিল। তবে তা শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়েছে। এখন নিজস্ব তহবিলেই হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।