প্রশাসনের কর্মকর্তারা ১৫ দিনের মধ্যে পদচারী–সেতুর কাজ শুরুর আশ্বাস দিলে বেলা সাড়ে তিনটার দিকে এলাকাবাসী অবরোধ তুলে নেন।

বাসের চাপায় নিহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার বাঁশতৈল গ্রামের পারভিন আক্তার (২৭), তাঁর মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৯) ও ছেলে সুমন (৭)। পুলিশ ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পারভিন তাঁর বাবার বাড়ি উপজেলার পানিশাইল গ্রাম থেকে ছেলে-মেয়েকে সঙ্গে করে স্বামীর বাড়ি যাচ্ছিলেন।

যাত্রাপথে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় যাত্রীবাহী বাস তাঁদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই সাদিয়া মারা যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় মা ও ছেলেকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের টাঙ্গাইলে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে আবাসিক চিকিৎসক লুৎফর রহমান মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্ঘটনার পর পাকুল্যা বাসস্ট্যান্ডে পদচারী–সেতুর দাবিতে এলাকাবাসী মহাসড়ক অবরোধ করেন। স্থানীয় মিনহাজ উদ্দিন বলেন, ওই স্থানে মাঝেমধ্যেই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী একটি পদচারী–সেতুর দাবিতে এর আগে মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন। প্রশাসন ও সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন করেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন