স্থানীয় লোকজন ও আহত যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ সকালে বিল্লাল, শাকিল, মিতু ও শিরিন কসবা উপজেলার খাড়েরা এলাকা থেকে একটি অটোরিকশায় উঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের উদ্দেশে রওনা দেন। সড়কের ভাটামাথা তন্তর এলাকা থেকে ওই অটোরিকশায় ওঠেন পুলিশ সদস্য হাসিবুল। মহাসড়কের সদর উপজেলার উজানিসার এলাকায় পৌঁছালে সামনের দিক থেকে আসা একটি প্রাইভেট কারের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে গিয়ে যাত্রীরা আহত হন।

পরে স্থানীয় লোকজন আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নেওয়ার পরপর আহত যাত্রী বিল্লাল হোসেনের মৃত্যু হয়। এদিকে বেলা ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে অটোরিকশাচালক চাঁন মিয়ার মৃত্যু হয়।

আহত যাত্রী শাকিল মিয়া বলেন, ‘আমার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। মা, স্ত্রী ও চাচাকে সঙ্গে নিয়ে শহরের হালদারপাড়ায় বোন রুনা বেগমের বাড়িতে দাওয়াত খেতে যাচ্ছিলাম। আমার বাম পা ভেঙে গেছে। মা এবং স্ত্রী অনেক ব্যথা পেয়েছে।’

বান্দরবানে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল আখাউড়া তন্তর এলাকার হাসিবুল হোসেন ওই অটোরিকশায় ছিলেন। জেলা পুলিশ লাইনস থেকে রেশন নিতে তিনি আজ সকালে অটোরিকশায় ওঠেন। তিনি বলেন, ‘আমি অটোরিকশার ডান পাশে চালকের সঙ্গে বসেছিলাম। অটোরিকশাটি সড়কের বাঁ পাশে ছিল। কিন্তু কারটি সামনে থেকে ডান দিকে যাওয়ার পরিবর্তে বাঁ দিকে আমাদের অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। অটোরিকশার চালক আমাদের বাঁচানো চেষ্টা করলেও শেষরক্ষা হয়নি।’

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরান হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত দুটি যান উদ্ধার করে সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুখেন্দু বসু প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত দুটি গাড়ি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে কারের চালককে আটক করা সম্ভব হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন