বিদ্যালয়টির নলকূপের পানিতে বালু ও আয়রন থাকায় তা পানের অযোগ্য। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের শৌচাগার জরাজীর্ণ ও নোংরা থাকে। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মাস তিনেক আগে এসব সমস্যা নিরসনে লিখিত দাবি জানানো হয়। কিন্তু এতে কর্তৃপক্ষের সাড়া পাওয়া যায়নি। সে জন্য শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সীমানার মধ্যে প্রতি সপ্তাহের রবি ও বুধবার কাঁচামালের এবং সোমবার গরুর হাট বসে। এতে পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হয়।

বাঙ্গাবাড়ি ইউনুস স্মরণী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল প্রথম আলোকে বলেন, মাঠে জলাবদ্ধতার সমস্যা বহু বছরের। প্রতিষ্ঠানের পাশের সড়ক উঁচু হওয়ার কারণে পানি নিষ্কাশন হয় না। অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। পাকা নর্দমা নির্মাণ করে দূরে জলাশয়ে পানিনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা না গেলে সমাধান হবে না। সেটি বেশ ব্যয়বহুল। প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এটা সম্ভব নয়। এ জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। জলাবদ্ধতার সময় সমাবেশ ও জাতীয় সংগীতের আয়োজন করা সম্ভব হয় না বলেও স্বীকার করেন তিনি।

হাট বসানো প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ বলেন, হাট ইজারা দেওয়া হয় উপজেলা পরিষদ থেকে। প্রতিষ্ঠানের আংশিক স্থান ব্যবহার করা হয়। বহু বছর থেকে হাট বসে আসছে। তাঁরা বাধা দিতে পারেন না। তবে পানীয়জল ও শৌচাগার সংস্কারের উদ্যোগ নেবেন বলে জানান তিনি।

গোমস্তাপুরের ইউএনও আসমা খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির জলাবদ্ধতা নিরসনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ  মন্ত্রণালয়ে একটি প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। উপজেলা পরিষদের হাট সেখানে বসে কি না, সেটি তিনি কাগজপত্র দেখে পরে বলতে পারবেন বলে জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন