রাত আটটার দিকে মনিরুজ্জামানের বোন লাকি বেগমের কাছে রুহুল আমিনের স্ত্রী ফোন করে বলেন, দুপুরে বাড়িতে মারামারি হয়েছে। ঘরের মধ্যে মনিরুজ্জামানের কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর রাত নয়টার দিকে মনিরুজ্জামানের দুলাভাই মো. জাহাঙ্গীর ওই বাড়িতে গিয়ে দেখেন, তাঁর লাশ মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে পুলিশ ঘর থেকে মনিরুজ্জামানের লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনার পরপর রুহুল আমিন ও তাঁর ছেলে ইমরুল আত্মগোপনে চলে যান।

মনিরুজ্জামানের বোনের ছেলে হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমার মামা মনিরুজ্জামান চার বছর ধরে বাড়িতে একা থাকতেন। গতকাল দুপুরে সুপারি পাড়া নিয়ে তাঁকে রুহুল আমিন ও তাঁর ছেলে ইমরুল মারধর করেন। রাতে আমরা তাঁর মৃত্যুর খবর পাই।’
স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মো. বাবুল বলেন, নিহত মনিরুজ্জামানের মরদেহের মুখমণ্ডল, মাথা ও হাতে আঘাতের চিহ্ন আছে।

কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বনি আমিন বলেন, গতকাল রাতে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পিরোজপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রুহুল আমিনের স্ত্রী ও মেয়েকে থানায় আনা হয়েছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।