সখীপুরে দুই বাক্স গ্রেনেডসদৃশ বস্তু উদ্ধার, গায়ে লেখা ‘ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, টাঙ্গাইল’

মরিচা ধরা দুটি লোহার বাক্সে ১২ গ্রেনেড সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কচুয়া গ্রামে।ছবি: প্রথম আলো

টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমিতে মাটি কাটতে গিয়ে দুটি মরিচা ধরা লোহার বাক্সে ১২টি গ্রেনেডসদৃশ ধাতব বস্তু পাওয়া গেছে। বাক্স দুটির গায়ে ‘ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, টাঙ্গাইল’ লেখা রয়েছে। পুলিশের ধারণা, বস্তুগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময়কার হতে পারে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কচুয়া স্থলচালা এলাকায় বাসিন্দা আশরাফ আলী ও তাঁর ছেলে জমিতে মাটি কাটছিলেন। এ সময় তাঁরা বাক্স দুটির সন্ধান পান। পরে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন।

বাক্স দুটির গায়ে ‘ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, টাঙ্গাইল’ লেখা রয়েছে। দীর্ঘদিন মাটির নিচে থাকায় বস্তুগুলোর ধাতব অংশ ক্ষয়ে গেছে। দেখতে গ্রেনেডের মতো হলেও বিশেষজ্ঞদের মতামত ছাড়া এগুলো সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
মো. মুরাদ হোসেন, ওসি, সখীপুর থানা

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন মিয়া বলেন, মরিচা ধরা দুটি লোহার বাক্সে ১২টি গ্রেনেডসদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে। সেগুলো উদ্ধার করে সখীপুর থানায় আনা হয়েছে।

ফেসবুকে গ্রেনেডসদৃশ বস্তুগুলো দেখতে পেয়েছেন উপজেলার কচুয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস সিকদার। এ বিষয়ে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘ফেসবুকে আমি এসবের ছবি ও ভিডিও দেখেছি। আমরা বুঝতে পারছি না, মুক্তিযুদ্ধের সময় এই গ্রামে কীভাবে গ্রেনেড এল।’

মরিচা ধরা দুটি লোহার বাক্সে ১২ গ্রেনেড সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কচুয়া গ্রামে।
ছবি: প্রথম আলো

বিস্ফোরকসদৃশ বস্তুগুলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় কেউ মাটির নিচে পুঁতে রেখেছিল বলে ধারণা করছেন সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মুরাদ হোসেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, বাক্স দুটির গায়ে ‘ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, টাঙ্গাইল’ লেখা রয়েছে। দীর্ঘদিন মাটির নিচে থাকায় বস্তুগুলোর ধাতব অংশ ক্ষয়ে গেছে। দেখতে গ্রেনেডের মতো হলেও বিশেষজ্ঞদের মতামত ছাড়া এগুলো সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।