পপকর্ন বিক্রি করে ফিরছিলেন দম্পতি, স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
রাজশাহীতে ট্রেনে পপকর্ন বিক্রেতা দম্পতির টাকা ছিনতাইয়ের পর স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আজ বুধবার দুপুরে জেলার চারঘাট থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। আর ওই নারীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চারঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মালেক। তিনি জানান, ওই নারীর স্বামী আজ দুপুরে থানায় এসে মামলাটি করেছেন। মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নাটোরের ওই দম্পতি প্রতিদিনের মতোই গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ট্রেনে পপকর্ন বিক্রির জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এদিন রাতে ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনে বেচাকেনা শেষে দিবাগত রাত প্রায় একটার দিকে তাঁরা সরদহ রেলস্টেশনে নেমে পাশের একটি চায়ের দোকানে বসে বিস্কুট খাচ্ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান।
হামলাকারী প্রথমে স্বামীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে পরিত্যক্ত দোকানের পাশে নিয়ে বেঁধে রাখেন। এরপর পপকর্ন বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার পর স্ত্রীকে স্টেশনসংলগ্ন জঙ্গলে ধর্ষণ করেন।
ওই নারীর স্বামী জানান, তিনি চিৎকার করলে প্রায় ৪৫ মিনিট পর আশপাশের লোকজন এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে তিনি জঙ্গল থেকে স্ত্রীকে উদ্ধার করেন। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আশরাফুল ইসলাম। তিনি চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছী জাগিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
সরদহ রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার ইকবাল কবির বলেন, রাতে যখন স্টেশনের পাশে ঘটনাটি ঘটে, তখন স্টেশনে মাত্র তিনজন দায়িত্বে ছিলেন। তাঁরা বিষয়টি পরে জেনেছেন। ৯৯৯–এ ফোন করলে পুলিশ এসে ভুক্তভোগী দম্পতিকে উদ্ধার করে।