লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান সরকার শাফায়েত উল্লাহর ছেলে মো. নাহিদ, মো. জাহিদ, মো. রাহিম ও মো. মিরান হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। গতকাল দুপুরে তানভিরুল তাঁর চাচাতো ভাই-বোনকে নিয়ে অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন। পথে সাদেকপুর দরগাসংলগ্ন এলাকায় শাফায়েত উল্লাহর চার ছেলেসহ প্রায় ২০ জন যুবক রড ও হকিস্টিক নিয়ে তানভিরুলের ওপর হামলা চালান। এ সময় তানভিরুলকে বাঁচাতে গেলে তাঁর চাচাতো ভাই ও বোন হামলার শিকার হন। পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় ‘সরকারবাড়ি’ ও ‘কর্তাবাড়ির’ মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। বর্তমানে সরকারবাড়ির নেতৃত্বে আছেন শাফায়েত। আর কর্তাবাড়ির তোফাজ্জল। এর আগেও দুই পরিবারের লোকজনের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ দুই ইউপি নির্বাচনে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। ফলে নির্বাচন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ঘিরে দুজনের মধ্যে নতুন করে বিরোধ শুরু হয়েছিল।

গতকালের হামলার বিষয়ে তানভিরুল বলেন, ‘হামলাকারীর সংখ্যা ২০-এর বেশি ছিল। সবার হাতেই রড ও হকিস্টিক ছিল। তারা এসেই আমাকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে মারতে শুরু করে।’
তোফাজ্জল দাবি করেন, পূর্ববিরোধের জেরেই তাঁর ছেলের ওপর হামলা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান শাফায়েত উল্লাহ বলেন, ‘কে আগে হামলা করেছে জানি না, তবে আমার ছেলেরাও আহত হয়েছে।’

এ ব্যাপারে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মুস্তফা বলেন, আজ সকালে তোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সেখানে ২২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগটি এখনো মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন