নিহত সলিমের পরিবার ও পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাড়িতে রাতের খাবার খেয়ে সলিম তাঁর করাতকলের দিকে যান। সেখান থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়ে আর ফেরেননি। এরপর আর সলিমের খোঁজ পাওয়া যায়নি। গভীর রাত পর্যন্ত পরিবারের লোকজন আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সলিমের কোনো সন্ধান পাননি। রাতে তাঁর মুঠোফোন নম্বরটিও বন্ধ ছিল। গতকাল বুধবার সকালে স্থানীয় লোকজন ওই ব্যক্তির বাড়ির পাশে একটি নির্জন বাগানে তাঁর লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় সেখান থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে।

সলিম উল্লাহর বড় ভাই আহসান হাবিব বলেন, কয়েক দিন আগে সলিমের ছেলে মো. লাবিব বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল। পথে মো. সিপন, মো. রাকিব ও মো. তুহিনসহ কয়েকজন যুবক উদ্দেশ্যমূলকভাবে লাবিবের ওপর মোটরসাইকেল উঠিয়ে দেন। এতে তাঁর ছেলে আহত হন। এ নিয়ে ওই যুবকদের সঙ্গে সলিমের কথা-কাটাকাটি হয়। ওই যুবকেরা বাড়িতে এসে তাঁর ভাইকে ‘খেলা দেখাবে’ বলে শাসিয়ে যান। তাঁরা সবাই স্থানীয় আওয়ামী লীগের কর্মী। এ বিরোধের জেরেই তাঁর ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।