১৪ ঘণ্টা পর সিলেট বিভাগে ফি‌লিং স্টেশনের ধর্মঘট প্রত্যাহার

ধর্মঘট প্রত‌্যাহারের পর আজ বৃহস্প‌তিবার দুপুর থেকে জ্বালা‌নি তেল সরবরাহ শুরু হয়েছে। আজ দুপুরে সিলেট নগরের সোবহানীঘাট এলাকার এক‌টি ফিলিং স্টেশনেছবি: প্রথম আলো

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা ও ‘হয়রানির’ প্রতিবাদে গতকাল বুধবার রাত থেকে শুরু হওয়া সিলেট বিভাগের সব ফি‌লিং স্টেশন ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা ধর্মঘট প্রত্যারের ঘোষণা দেন।

এর আগে গতকাল দিবাগত রাত ১২টা থেকে সিলেটের সব ফিলিং স্টেশন বন্ধ করে ধর্মঘট শুরু হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন যানবাহনের চালকেরা। সিলেটের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। জ্বালানি না পেয়ে চালক ও স্টেশনকর্মীদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে।

আজ বেলা দুইটার দিকে বৈঠক শেষে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিভাগীয় সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘সিলেটের জেলা প্রশাসক, পুলিশ প্রশাসন, সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সবার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আমরা বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে অভিযানের নামে হয়রানির প্রতিবাদ জানিয়েছি। এমনিতে ডিপোতে বিজিবি, পাম্পে পুলিশ ও ট্যাগ অফিসার নিয়োগে অনেকে আতঙ্কে রয়েছেন। যে কারণে মানুষের মধ্যে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে মজুত করার একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে প্রশাসন না বুঝে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করছে।’

আরও পড়ুন

জুবায়ের আহমদ চৌধুরী আরও বলেন, ‘বৈঠকে ফলপ্রসূ আলাপ হয়েছে। প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা অভিযান পরিচালনায় থাকবেন। কোনো হয়রানিমূলক ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, আগামী দিনে কোনো ঘটনা ঘটলে আমরা যৌথভাবে সেটি সমাধানের উদ্যোগ নেব। আমরা সব কটি ফিলিং স্টেশন চালু করার আহ্বান জানিয়েছি।’