আইফোন বিক্রির বিজ্ঞাপন, কিনতে এসে ইমামকে মারধর করে ছিনতাইয়ের অভিযোগ
ফেসবুকে নিজের ব্যবহৃত আইফোন বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার চরগোবিন্দপুর নতুনপাড়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম সামিউল ইসলাম (১৯)। এটি দেখে দুই যুবক গতকাল মঙ্গলবার রাতে বড়াইগ্রামের নগর বাজারে আসেন। অভিযোগ উঠেছে, আইফোনটি যাচাই করার কথা বলে সামিউলকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে ফাঁকা মাঠে নেওয়া হয়। সেখানে মারধর করে মুঠোফোনটি ছিনিয়ে নেন ওই দুই যুবক।
অভিযোগকারী সামিউল ইসলাম বড়াইগ্রামের থানাইখাড়া গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে। তিনি বর্তমানে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঈশ্বরদীর হাসান আলী পরিচয়ে এক যুবক তাঁর এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে নগর বাজারে আসেন। তাঁরা সেখানে আইফোন ১৩ মুঠোফোনটি দেখে দরদাম করেন। পরে ফোনটির মালিকানা অনলাইনে যাচাই করার কথা বলে সামিউলকে তাঁদের মোটরসাইকেলে তুলে জোনাইল বাজারের দিকে রওনা হন।
ফোনটি যাচাইয়ের কথা বলে ওই দুই যুবক মোটরসাইকেলে করে আমাকে জোনাইল বাজারের দিকে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে ফাঁকা মাঠে নিয়ে তারা আমাকে মারধর করে এবং আইফোনটি কেড়ে নিয়ে চলে যায়। পুলিশকে ঘটনাটি জানিয়েছি।সামিউল ইসলাম, অভিযোগকারী
কয়েন-জোনাইল আঞ্চলিক সড়কের চরগোবিন্দপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত ইটভাটার কাছে পৌঁছালে ওই দুই যুবক সামিউলকে মোটরসাইকেল থেকে ফেলে দেন। পরে তাঁকে মারধর করে আইফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে চলে যান। পরে পথচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চিকিৎসাধীন সামিউল ইসলাম বলেন, ‘ফোনটি যাচাইয়ের কথা বলে ওই দুই যুবক মোটরসাইকেলে করে আমাকে জোনাইল বাজারের দিকে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে ফাঁকা মাঠে নিয়ে তারা আমাকে মারধর করে এবং আইফোনটি কেড়ে নিয়ে চলে যায়। পুলিশকে ঘটনাটি জানিয়েছি।’
এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও আইফোনটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম।