চালের দাম না বাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, সাধারণত একটা মৌসুম শেষে আরেকটা মৌসুম শুরু হলে দুই মৌসুমের মাঝে চালের দাম একটু ওঠানামা হয়। ইতিমধ্যে আমন মৌসুমের ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হচ্ছে। এ ছাড়া ওএমএসের মাধ্যমে চাল বিক্রি চলছে। তাই চালের দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। 

দেশে খাদ্যসংকটের কোনো শঙ্কা নেই দাবি করে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সরকারি গুদামে যে খাদ্য মজুত থাকার কথা, তার দ্বিগুণ আছে। প্রায় ১৮ লাখ টন চাল সরকারি গুদামে মজুত আছে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারিভাবে আমদানি করা হচ্ছে। এর সঙ্গে ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই যোগ হবে নতুন আমনের ফলন। সব মিলিয়ে দেশে খাদ্যসংকটের কোনো শঙ্কা নেই।

কৃষকদের ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার মৌসুমের শুরুতে ধান-চাল ক্রয় করছে উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার প্রান্তিক কৃষকদের ন্যায্যমূল্য দিতেই ধান কেনে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলো কি হলো না, সেটা কোনো বড় কথা নয়। আমরা চাই কৃষকেরা ধানের ন্যায্যমূল্য পান।’

ভোক্তাদের চকচকে চাল না খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চকচকে চাল না খেয়ে সবাইকে নন-পলিশ চাল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। চাল পলিশ করতে গিয়ে চালের একটা অংশ উচ্ছিষ্ট হিসেবে নষ্ট হয়ে যায়। আগের মতো মানুষ যদি নন-পালিশ চাল খাওয়া শুরু করে, তাহলে আমাদের দেশে ১৮ থেকে ২০ লাখ চাল সেভ হবে। তখন আর চাল আমদানি করার প্রয়োজন হবে না।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সঙ্গে সহসভাপতি আমিন হেলালি, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দিন তরফদার ও নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ইব্রাহিম, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক এবং নওগাঁ শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি ইকবাল শাহরিয়ার, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানসহ চেম্বারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।