ইসমাইলের বাবা মোহাম্মদ আলী বলেন, প্রায় দেড় মাস আগে তাঁর ছেলের সঙ্গে নাসরিনের বিয়ে হয়। গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি আঁটিবাজার থেকে বাড়িতে এসে প্রধান ফটকে তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে চাবি দিতে বললে ইসমাইল চতুর্থ তলার জানালা দিয়ে নিচে চাবি ফেলেন। কিন্তু চাবিটি বাড়ির সঙ্গে থাকা বিদ্যুতের তারে আটকে যায়। তখন ইসমাইল না বুঝে বাসায় থাকা এসএস পাইপ দিয়ে বিদ্যুতের তারে আটকে থাকা চাবিতে নাড়া দেন।

মোহাম্মদ আলী আরও বলেন, এতে ইসমাইল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাঁকে ধরে টান দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়ে নাসরিনও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এর মধ্যে তিনি কক্ষে গিয়ে দেখেন, দুজন অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে পড়ে আছেন। ইসমাইলের ডান হাতের কনুই পর্যন্ত পুড়ে যায়। তাৎক্ষণিক এলাকাবাসীর সহায়তায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত দেড়টার দিকে চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন অর রশিদ বলেন, গতকাল রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নবদম্পতির মৃত্যুর খবর পেয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।