নাজমুন নাহার বলেন, তিনি বিষয়টি থানা-পুলিশকে জানালে স্থানীয় দাঁতপুর পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক অশোক চন্দ্র তালুকদারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ সদস্যরা যাওয়ার পর জেন্ডার প্রমোটর রোকসানা বিউটি কনের জন্মসনদ দেখে নিশ্চিত হন তার বয়স ১৫। তিনি বিয়ে বন্ধ করে দিয়ে কাল শনিবার সকালে কনেসহ কনের মা–বাবাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির হতে বলেন এবং মেয়ের বয়স ১৮ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা নেন।

ওই কিশোরীর বিয়ে বন্ধের পরে খবর আসে একই ইউনিয়নে সদ্য এসএসসি পাস করা এক ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের একই দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়। জন্মসনদ অনুযায়ী ওই কনের বয়স ১৭। ওই ছাত্রীরও বিয়ে বন্ধ করে দিয়ে তার মা–বাবাসহ তাকে কাল সকালে ইউএনও কার্যালয়ে হাজির হতে বলেন। পাশাপাশি ওই ছাত্রীর মা–বাবার কাছ থেকেও মুচলেকা নেওয়া হয়।