বেলা তিনটার দিকে নালঘর পশ্চিম বাজার সামাদ মেম্বারের বাড়ির কাছে তাঁর গাড়ির গতিরোধ করেন একই ইউনিয়নের নালঘর গ্রামের মনিরুজ্জামান ওরফে সোহেলসহ সাত–আটজন। এ সময় শাহজালাল গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে একটি বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন। ওই বাড়িতে যাওয়ার সময় তিনি বাঁ হাতে ও দুই হাঁটুতে আঘাত পান।

একপর্যায়ে হামলাকারীরা ওই ইউপি চেয়ারম্যানের গাড়ি হকিস্টিক দিয়ে ভাঙচুর করেন। খবর পেয়ে শাহজালালের সমর্থকেরা এগিয়ে এলে মনিরুজ্জামান পালিয়ে যান। এ ঘটনার প্রতিবাদে ইউপি চেয়ারম্যান শাহজালালের সমর্থকেরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

জানতে চাইলে শাহজালাল মজুমদার বলেন, ‘মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে হামলা করা হয়। মনিরুজ্জামান একজন সন্ত্রাসী। রাইফেল কাঁধে নিয়ে ঘোরেন তিনি। কুমিল্লা মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কের সঙ্গে ফিলিং স্টেশন ও পেট্রল পাম্পের ব্যবসা রয়েছে তাঁর। আওয়ামী লীগের একজন প্রভাবশালী নেতাকে খুশি করতে মনিরুজ্জামান আমার ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছেন। এ ঘটনায় আমি মামলা করব।’

অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মনিরুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। পরে খুদে বার্তা পাঠালেও সাড়া দেননি।

জানতে চাইলে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, ‘ইউপি চেয়ারম্যান শাহজালালের গাড়ি ভাঙচুর করেছেন মনিরুজ্জামান নামের এক ব্যক্তি। তাঁদের মধ্যে পূর্বশক্রতা রয়েছে। এ ঘটনায় ওই ইউপি চেয়ারম্যান মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। মনিরুজ্জামানের কাছে থাকা অস্ত্রের লাইন্সেস আছে বলে শুনেছি।’

শাহজালাল টানা তিনবার শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সাবেক রেলপথমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মুজিবুল হকও এই ইউনিয়নের বাসিন্দা। মুজিবুল হকের সঙ্গে শাহজালাল মজুমদারের রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন