জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলমের অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার। তাঁর পেশা ব্যবসা। বছরে তাঁর আয় হয় ১৫ লাখ টাকা। গত অর্থবছরে প্রথমবারের মতো তিনি আয়কর দিয়েছেন। আয়কর হিসেবে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসন থেকে এনসিপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মাহবুব। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করা মাহফুজ আলমের ভাই। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দেওয়া হলফনামা ঘেঁটে তাঁর সম্পদের তথ্য জানা গেছে।
মাহবুব আলম রামগঞ্জ উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর এলাকার মোল্লা বাড়ির আজিজুর রহমানের ছেলে। তাঁর বাবা আজিজুর রহমান ইছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
হলফনামা ঘেঁটে দেখা যায়, মাহবুব আলম এমবিএ (স্নাতকোত্তর) সম্পন্ন করেছেন। প্রোপাইটরশিপ ব্যবসায় তাঁর মূলধনের পরিমাণ ৭৬ লাখ টাকা। দুটি কোম্পানিতে শেয়ার রয়েছে ১৯ লাখ ৯০ হাজার টাকার। তাঁর স্বর্ণালংকার রয়েছে আট লাখ টাকার, ইলেকট্রিক পণ্য রয়েছে ৫০ হাজার টাকার।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়, মাহবুব আলমের নামে কোনো কৃষি অথবা অকৃষি জমি নেই। গাড়ি, প্লট, ফ্ল্যাটও নেই। তাঁর হাতে নগদ টাকা রয়েছে ৩০ হাজার। আর চারটি ব্যাংক হিসাবে ৫৪ হাজার ৬১২ টাকা রয়েছে। সব মিলিয়ে তাঁর অর্জন করা অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ এক কোটি ৫ লাখ টাকা (অর্জনকালীন মূল্য)। বর্তমানে এ সম্পদের মূল্য এক কোটি ১০ লাখ টাকা।
হলফনামায় দেওয়া তথ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে মাহবুব আলম প্রথম আলোকে বলেন, এ বছরই তিনি প্রথম আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন। রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার আগে প্রায় এক বছর তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ছিলেন। ওই সময় তিনি এসব অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেন।