সুই চিং মং মারমার স্ত্রী উমেনু মারমা জানান, রাতে তাঁর স্বামী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাড়ির বাইরে শৌচাগারে গিয়েছিলেন। বাড়িতে ঢোকার সময় তাঁর সঙ্গে মুখোশ পরা তিনজন ঢুকে পড়েন। মুখোশধারী ব্যক্তিরা বাড়িতে ঢুকে তাঁকেও (উমেনুকে) মুখোশ পরিয়ে দেন। তাঁকে বাড়ির একপাশে রেখে স্বামীকে গলা কেটে দিয়ে বের হয়ে চলে যান। হত্যাকারীরা কোনো কথা বলেননি। মুখোশ পরা থাকায় কাউকে চিনতে পারেননি তিনি।

জামছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ক্যচিংশৈ মারমা জানান, হত্যাকাণ্ডের শিকার সুই চিং মং কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁর সঙ্গে কারও বিরোধ নেই। কেন এবং কারা নিরীহ লোকটিকে হত্যা করেছে বুঝতে পারছেন না তিনি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল প্রথম আলোকে বলেন, বাড়িতে ঢুকে সুই চিং মং মারমাকে হত্যা করা হয়েছে। কারও সঙ্গে তাঁর পারিবারিক বা অন্য কোনো কারণে বিরোধ রয়েছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে বিস্তারিত জানা যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন