মিয়ানমারে গোলাগুলি, নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ইউপি সদস্য গুলিবিদ্ধ

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তছবি: প্রথম আলো

বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে আজ সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে সাবের হোসেন নামে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) একজন সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

তিনি পালিয়ে আসা মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সদস্যদের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য জামছড়ি এলাকার সীমান্তে গিয়েছিলেন। সেখানে সীমান্তের শূন্যরেখার কাছাকাছি দাঁড়িয়ে ফোন করার সময় হঠাৎ একটি গুলি এসে তাঁর বাঁ পায়ের হাঁটুতে লেগেছে বলে গুলিবিদ্ধ সাবের হোসেন জানিয়েছেন।

নাইক্ষ্যংছড়ির জামছড়ি সীমান্তের লোকজন জানিয়েছেন, সাবের হোসেন বিকেলে বিজিবির জামছড়ি সীমান্তচৌকি এলাকায় গিয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা বিজিপি সদস্যদের খোঁজখবর নেন। তাঁর সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিকও ছিলেন। এ সময় হঠাৎ একটি গুলি এসে সাবের হোসেনের বাঁ পায়ের হাঁটুতে লাগে। স্থানীয় সাংবাদিকেরা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসেন।

সাবের হোসেনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময় নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি আবদুল হামিদও সেখানে ছিলেন। তিনি বলেন, বিকেল চারটার পরে সীমান্তের ওপারে প্রচণ্ড গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। এ সময় হঠাৎ সাবের হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
গুলিবিদ্ধ ইউপি সদস্য সাবের হোসেন বলেন, পায়ের ক্ষতস্থানে প্রচণ্ড যন্ত্রণা। ঠিকমতো কথা বলতে পারছেন না। তবে ক্ষতস্থানের ভেতরে গুলি নেই মনে হচ্ছে। তিনি জানান, সীমান্ত অতিক্রম করে দুপুরে ২৯ জন বিজিপি পালিয়ে এসে বিজিবির কাছে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তাঁদের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনিও সীমান্তে গিয়েছিলেন।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) আবু জাফর মোহাম্মদ ছলিম জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ ইউপি সদস্য সাবের হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নিকটবর্তী কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আঘাত গুরুতর না হলেও হাঁটুতে গুলিবিদ্ধ স্থানে এক্স–রে করে বোঝা যাবে ভেতরে গুলি রয়েছে কি না।