কিছুটা বিরতিতে আবার ওই ব্যক্তি বলেন, ‘ওই সাকিব ভাই, ৬০০ টাকা রাখেন।’ তখন সাকিব উদ্দীন বলেন, ‘কী জন্য? আমাকে তো ওখানেই দিতে হবে পাঁচ-ছয় শ টাকা। তাহলে আমার কী?’ তখন ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আচ্ছা ঠিক আছে, আপনি এইটা রাখেন।’ এ কথা শুনে সাকিব উদ্দীন তাঁকে বলেন, ‘না, না। আমাকে ১০০ কম দেন, ৯০০ টাকা দেন। তাহলে আমি কাজ করব, না হয় করব না।’


তখন ওই ব্যক্তি বলেন, ‘শুনেন, আপনি এখন ৭০০ টাকা নেন, কাজ শেষে বাকি টাকাটা দেব।’ এই বলে সাকিবের দিকে কিছু টাকা বাড়িয়ে দেন। তখন সাকিব উদ্দীন ওই ব্যক্তিকে বলেন, ‘এখন ৭০০ দিলেন, যখন কাগজ নিয়ে যাবেন, তখন বাকিটা দিবেন?’ এই বলেই হাতে টাকাটা নিয়ে নেন। এরপর সাকিব উদ্দীন ওই ব্যক্তির মুঠোফোন নম্বরটি যাচাই করে নেন। পরে সাকিব বলেন, ‘আর এটা নিয়ে কিন্তু কোনো কথা হবে না। কেন হবে না? কারণ, তশিলদার যখন জানতে পারবে, আমার কাছে ফাইল না এনে ওরা কাজটা করে দিল, তখন কিন্তু হিতে বিপরীত হয়ে যাবে।’

সে সময় সাকিব ফাইলে কী সংশোধন করতে হবে, তা জেনে লিখে নেন। পরে তিনি বলেন, ‘আচ্ছা যান। কাজ হলে ফোন দেব। তবে এক সপ্তাহের আগে কিন্তু হবে না।’
ফেসবুক পেজটি পরিচালনা করেন আল মামুন নামের এক যুবক। ভিডিওটি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘নামজারির একটি ভুল সংশোধনী নিয়ে রানীশংকৈল উপজেলার ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে জমিমালিকদের হয়রানি করার অভিযোগ আসে। সেই অভিযোগের সত্যতা খুঁজতে গিয়ে রানীশংকৈলের এক তরুণ এই ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেটা আমার হাতে আসে।’

এ বিষয়ে সাকিব উদ্দীন মুঠোফোনে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কোনো কমেন্টস নাই। যা বলার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই বলবেন। আমি যা বলার স্যারকে বলছি।’

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, এ ঘটনায় তাঁকে কারণ দর্শানো হয়েছে। জবাব পেয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন