হাতীবান্ধা উপজেলা হাইওয়ে থানা-পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের দোয়ানী মোড় থেকে ফজলুল হক, নজরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে রিফাত হোসেন একটি মোটরসাইকেলে করে সানিয়ারজান বাজারের পাশে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় রংপুর-বুড়িমারী স্থলবন্দর আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাক্টরের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলের তিন আরোহী সড়কে ছিটকে পড়ে আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে রাত একটার দিকে নজরুল ইসলাম মারা যান। আজ ভোরের দিকে ফজলুল হকও মারা যান। আহত কিশোর রিফাত হোসেন সেখানে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

নজরুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা জানান, পীর ফজলুল হক তাঁদের আত্মীয় ছিলেন। তিনি গতকাল নজরুল ইসলামের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। সেখান থেকে পাশের উপজেলা পাটগ্রামের বাউরা ইউনিয়নের এক ভক্তের বাড়িতে দেখা করতে গিয়েছিলেন। পরে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনায় তাঁরা দুজন মারা যান।

হাতীবান্ধা উপজেলা হাইওয়ে থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হাকিম বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক্টরটির চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছেন। তবে ট্রাক্টরটি জব্দ করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল সকালে ওই ইউনিয়নের সানিয়ারজান নদী সেতুসংলগ্ন সড়কে  ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে লতিফুল ইসলাম (৪২) নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের রমণীগঞ্জ শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক ছিলেন। তাঁর বাড়ি পাশের উপজেলা কালীগঞ্জের মদাতী ইউনিয়নের কইয়াটারী গ্রামে।