নিহত আবদুল মতিন ও সুরুজ্জামান তাঁতশ্রমিক হিসেবে অন্যের অধীনে কাজ করতেন। এতে দিনে তিন থেকে ৪০০ টাকার বেশি আয় হতো না তাঁদের। এই আয়েই কোনোরকমে সংসার চালাতেন তাঁরা। অন্যদিকে জুয়েল মুদিদোকান চালাতেন। তাঁরও আয় খুব বেশি ছিল না। আবদুল মতিনের তিন মেয়ে এক ছেলে, জুয়েলের দুই মেয়ে এক ছেলে ও সুরুজ্জামানের দুই ছেলে রয়েছে।

জুয়েল ও সুরুজ্জামানের চাচাতো ভাই রজব আলী বলেন, ‘খুব কষ্টে তাঁদের সংসার চলত। দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ায় পরিবারে আয় করার মতো আর কেউ রইল না। ভবিষ্যতে তাঁদের স্ত্রী-সন্তানদের কীভাবে চলবে, তার উত্তর আমরা কেউই খুঁজে পাচ্ছি না।’

জুয়েল ও সুরুজ্জামানের আরেক চাচাতো ভাই ও মামলার বাদী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার চাচা ও চাচাতো ভাইদের স্বজনদের আহাজারি থামছে না। নিহত ব্যক্তিরা খুব সামান্য আয় করলেও তাঁরাই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এ ঘটনার আমরা উপযুক্ত বিচার ও ক্ষতিপূরণ চাই।’

এদিকে দুর্ঘটনার পর তিন দিন পার হয়ে গেলেও ওই পিকআপচালক ও সহকারীকে শনাক্ত করা যায়নি। ঘটনার পর পুলিশ পিকআপটি আটক করলেও এর চালক ও চালকের সহকারী পালিয়ে গেছেন। ১৫ জুলাই রাতেই নিহত জুয়েল ও সুরুজ্জামানের চাচাতো ভাই নজরুল বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করেন। এতে পিকআপের অজ্ঞাত চালক ও সহকারীকে আসামি করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন