বাকি ৪১০ জন জুলাই ও আগস্ট মাসে এবং এ মাসের ১৯ তারিখ পর্যন্ত মজুরি পাননি। তাঁদের মধ্যে ২৭টি ওয়ার্ডে ২০৭ জন, প্রকৌশল শাখায় ১০৩ জন, রাজস্ব বিভাগে ৪৭ জন, সিটি করপোরেশনের দক্ষিণ কার্যালয়ে ২০ জন, স্বাস্থ্য শাখায় ১১ জন, কনজারভেন্সি শাখায় ১০ জন, প্রশাসন শাখায় ৭ জন ও নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত ৫ জন।

বেতন না পাওয়া কর্মচারীদের কয়েকজন প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘদিন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে লোকবল নিয়োগ নেই। অনেকে বিলুপ্ত কুমিল্লা পৌরসভার আমল থেকে দৈনিক হাজিরাভিত্তিক মজুরিতে কাজ করছেন। এসব কর্মচারী কর আদায়, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের অফিসে সচিব, কর্মচারী, ঝাড়ুদার ও নৈশপ্রহরীর কাজ করছেন।

জানতে চাইলে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নগর ভবনে নতুন মেয়র-কাউন্সিলররা দায়িত্ব নেওয়ার পর দৈনিক হাজিরাভিত্তিক কর্মচারীদের কাজের মূল্যায়ন ও তাঁদের যাচাই-বাছাই করার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর আমরা শাখাভিত্তিক কর্মচারীদের তালিকা যাচাই শুরু করি। একপর্যায়ে ৪৮ জনকে বাদ দেওয়া হয়। অপর কর্মচারীদের মজুরি পর্যায়ক্রমে দেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৩৩২ জন পেয়েছেন। বাকিরা পাবেন।’

দীর্ঘদিন নিয়োগ না থাকার কারণে দৈনিক হাজিরাভিত্তিক কর্মী দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে সফিকুল ইসলাম বলেন, সিটি করপোরেশনের নতুন অর্গানোগ্রাম পাস হয়েছে। সামনে স্থায়ী জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এর বাইরে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমেও লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন