হোসাইন আহমেদ জানিয়েছেন, তিনি শহরের শমসেরনগর সড়কের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে মোটরসাইকেলে ব্যক্তিগত কাজে পশ্চিমবাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। প্রধান ডাকঘর এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে আসা তিনটি মোটরসাইকেল ও একটি প্রাইভেট কারের আরোহীরা তাঁর গতিরোধ করে। পরে সাইকেল ও কারের আরোহীরা তাঁকে সাইকেল থেকে ধাক্কা দিয়ে সড়কে ফেলে দেয় এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে লোকজন ভিড় করলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

স্থানীয় লোকজন হোসাইন আহমেদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলার খবর পেয়ে রাতেই মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক পান্না দত্তসহ গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতালে ছুটে যান। মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদর্শন কুমার রায় ও মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিনুল হক ওই রাতে হাসপাতালে আহত সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলেন।

হোসাইন আহমেদ বলেন, ‘হামলাকারীরা পেছন থেকে এসে আক্রমণ করেছে। আমি তাদের কাউকে চিনতে পারিনি। এই বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিনুল হক আজ রোববার বলেন, ‘বুঝতেছি না, হঠাৎ করে কেন উনার (হোসাইন আহমেদ)  ওপর এ রকম হামলা হলো। উনিও (আহত সাংবাদিক) কোনো ক্লু দিতে পারছেন না। রাত্রিবেলা, অনেক দোকান বন্ধ ছিল। কাউকে জিজ্ঞাসাবাদও করতে পারছি না। অই এলাকার সিসি ক্যামেরার কিছু ফুটেজ দেখছি। আজ আরও খোঁজ নেব।’