মোরশেদ ওই নারীকে বেগমগঞ্জের একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে নিয়ে গোপনে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও চিত্র ধারণ করেন।

ডিবি সূত্রে জানা যায়, মোরশেদ আলম পরবর্তী সময়ে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই নারীরে কাছে টাকা দাবি করেন। মোরশেদ বিভিন্ন সময়ে ওই নারীর কাছ থেকে ৮৫ হাজার টাকা, একটি সোনার চেইন ও এক জোড়া কানের দুল নিয়ে যান বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও টাকার জন্য মোরশেদ ওই নারীকে চাপ দিলে তিনি জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলামের নির্দেশে ডিবি অভিযোগটি তদন্ত করে অভিযুক্ত মোরশেদ আলমকে আটক করে।

আটকের পর তাঁর কাছ থেকে স্বর্ণের চেইন, কানের দুল এবং একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ শনিবার আদালতে পাঠানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন