পুলিশ বাহিনীর প্রশংসা করে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, পুলিশের সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি ও অপরাধ দমনের অন্যতম কৌশল হিসেবে কমিউনিটি পুলিশিং বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাই প্রথম সম্মুখযুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছেন। দেশের প্রয়োজনে তাঁরা আবারও এগিয়ে আসবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানে কমিউনিটি পুলিশের ভূমিকা তুলে ধরে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, পুলিশের কাজে সহযোগিতা, বাল্যবিয়ে রোধ, ইভটিজিং প্রতিরোধ, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস দমন, মাদকের কুফল, নারী-শিশু নির্যাতন, যৌতুক নিরোধসহ বিভিন্ন কাজে কমিউনিটি পুলিশের সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন, যা সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

পরে পুলিশ সুপারের কার্যালয় চত্বর থেকে কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রায় পুলিশ সদস্য ও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের বিভিন্ন কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক হয়ে নওগাঁ পুলিশ লাইনস মাঠে গিয়ে শেষ হয়। পরে পুলিশ লাইনস ড্রিলস শেডে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মূলমন্ত্র শান্তি, শৃঙ্খলা সর্বত্র’।