নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল আগেই, মামলাও হয়েছিল, এখন গেল ৯ প্রাণ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল নামের জাহাজভাঙা কারখানায় স্ক্র্যাপ জাহাজ থেকে ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত গ্যাসে আহত এক ব্যক্তিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন। গতকাল বেলা একটায়ছবি: জুয়েল শীল

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে শ্রমিকদের নিরাপত্তাব্যবস্থায় ঘাটতি পেয়েছিল সরকারি পরিদর্শন সংস্থা। শ্রমিকদের নিরাপত্তা বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন না করা, ঝুঁকি মূল্যায়নের প্রতিবেদন না দেওয়া, নির্ধারিত সময়ের বেশি কাজ করিয়েও ওভারটাইমের টাকা না দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়ে ছয় মাস আগে।

অনিয়ম সংশোধনে প্রতিষ্ঠানটিকে একাধিকবার নোটিশ দেয় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। কিন্তু যথাযথ জবাব না পাওয়ায় গত জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে মামলা করা হয়। সেই মামলার এক মাসের মাথায় গতকাল শুক্রবার একই কারখানায় ‘বিষাক্ত গ্যাসে’ একসঙ্গে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু হলো।

মামলাটির বাদী কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের শ্রম পরিদর্শক শাহেদ পারভেজ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, গত ৯ ফেব্রুয়ারি কারখানাটি পরিদর্শন করেছিলেন তাঁরা। তখন নিরাপত্তা ও শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধাসংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়া যায়। এরপর ধাপে ধাপে নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি যথাযথ জবাব দেয়নি। শেষ পর্যন্ত জুলাইয়ে শ্রম আদালতে মামলা করা হয়। মামলায় প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ফেরদৌস ওয়াহিদ ও ব্যবস্থাপক মো. ইউসুফ আলীকে আসামি করা হয়েছে।

শাহেদ পারভেজ বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটিতে নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল। একাধিক শর্ত তারা পূরণ করতে পারেনি। নিরাপত্তা লঙ্ঘন এবং শ্রমিকদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা যথাযথভাবে না দেওয়ার কারণে আমরা মামলা করেছি।’ মামলাটি এখন বিচারাধীন বলে জানান তিনি।

সরকারি পরিদর্শনে নিরাপত্তার ঘাটতি শনাক্ত এবং মামলা হওয়ার পরও একই কারখানায় ৯ শ্রমিকের প্রাণহানির ঘটনায় এখন প্রশ্ন উঠেছে, শনাক্ত হওয়া ঘাটতিগুলো পরে সংশোধন করা হয়েছিল কি না। সংশোধন করা না হলে সেখানে জাহাজ কাটার কাজ কীভাবে চলছিল, সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান প্রথম আলোকে বলেন, সর্বশেষ দুর্ঘটনার কারণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোথায় ঘাটতি ছিল, তা খুঁজে বের করতে ইতিমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কার গাফিলতি ছিল, কোথায় নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঠেকাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন—এসব বিষয় তদন্তে দেখা হবে।

ফেরদৌস স্টিলের ইয়ার্ডে ‘এমটি রাসি’ নামের ৩০ হাজার ৭৭০ টন ওজনের স্ক্র্যাপ জাহাজে দুর্ঘটনা ঘটে। জাহাজটি আগে এলএনজি পরিবহন করত। এটি কাটার জন্য ২০২৫ সালের জুলাইয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের ৫২৯তম সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে ছাড়পত্রের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল

যে ঘাটতি পেয়েছিলেন পরিদর্শকেরা

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পরিদর্শনে ফেরদৌস স্টিলে নিরাপত্তা ও শ্রমিকের অধিকার—দুই ক্ষেত্রেই অনিয়ম পাওয়া যায়। শ্রম পরিদর্শক শাহেদ পারভেজ প্রথম আলোকে জানান, কাজে ব্যবহৃত নিরাপত্তা সামগ্রী এবং নিরাপদ কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে শ্রমিকদের যথেষ্ট সচেতন করা হতো না। জাহাজভাঙার কাজে ঝুঁকি মূল্যায়ন করে নির্ধারিত প্রতিবেদন দেওয়ার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি তা দেয়নি।

শাহেদ পারভেজ জানান, কর্মঘণ্টা নিয়েও অনিয়ম পাওয়া যায়। শ্রমিকদের নির্ধারিত আট ঘণ্টার পরিবর্তে ১০ থেকে ১১ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করানো হতো বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। কিন্তু অতিরিক্ত কাজের জন্য ওভারটাইমের টাকা দেওয়া হতো না। শুক্রবারেও শ্রমিকদের কাজ করানোর অভিযোগ ছিল। এর কিছু অভিযোগ শ্রমিকদের কাছ থেকেই পেয়েছিলেন পরিদর্শকেরা।

এসব অনিয়ম পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটিকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়। প্রথম নোটিশের পর দ্বিতীয় নোটিশ এবং পরে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তাতেও যথাযথ জবাব না মেলায় মামলা করে অধিদপ্তর।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল নামের কারখানায় কাটা হচ্ছিল জাহাজ। গতকাল দুপুরে
ছবি: প্রথম আলো

যে জাহাজে গেল ৯ প্রাণ

সর্বশেষ গতকাল সকাল ৯টার দিকে ফেরদৌস স্টিলের ইয়ার্ডে ‘এমটি রাসি’ নামের ৩০ হাজার ৭৭০ টন ওজনের স্ক্র্যাপ জাহাজে দুর্ঘটনা ঘটে। জাহাজটি আগে এলএনজি পরিবহন করত। এটি কাটার জন্য ২০২৫ সালের জুলাইয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের ৫২৯তম সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে ছাড়পত্রের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। প্রশাসনের হিসাবে, দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন সীতাকুণ্ডের আকবর আলীর হাট এলাকার দুই ভাই মোহাম্মদ মনসুর (৫৫) ও মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন (৫১), পাবনার সুজানগরের ছৈয়দপুর এলাকার মোহাম্মদ আব্দুল আলীম (৩৬), গাইবান্ধা সদরের উত্তর কুপতলা এলাকার মোহাম্মদ রানা মিয়া (২৩), সীতাকুণ্ডের খাদেমপাড়া এলাকার হাবিবুর রহমান (৫১), ভাটিয়ারীর পলাশ জলদাস (৩৫), সানি জলদাস (২৩) ও মতিউর রহমান (১৯) এবং গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের মোহাম্মদ খোকন মিয়া (২৩) ।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিস্ফোরক অধিদপ্তর চট্টগ্রামের সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক এস এম সাখাওয়াত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, জাহাজের কার্গো ট্যাংকের পাশে থাকা ব্যালাস্ট এলাকায় (জাহাজের ভারসাম্য রক্ষার পানি রাখার স্থান) হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছিল। জাহাজের ভারসাম্য রক্ষার জন্য এই অংশে পানি ধারণ করা হয়। বিষাক্ত ওই গ্যাসে আক্রান্ত হয়েই শ্রমিকদের মৃত্যু হয়েছে।

একটি কারখানায় নিরাপত্তার ঘাটতি সরকারি পরিদর্শনেই ধরা পড়ল, নোটিশ দেওয়া হলো, এমনকি মামলা পর্যন্ত হলো; তারপরও টনক নড়ল না। সেখানে ৯ জন শ্রমিকের মৃত্যু অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আগেও সেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, ঘাটতি শনাক্ত হওয়ার পর সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করল কে? শুধু নোটিশ ও মামলা করলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হয় না।
তপন দত্ত, আহ্বায়ক, জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরাম

একজনকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত আরেকজন

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, জাহাজটির এলএনজি ট্যাংক কাটার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল। গতকাল সকাল সাড়ে আটটার দিকে জাহাজের তলায় থাকা একটি ট্যাংকের চারপাশ কাটার প্রায় ১০ মিনিট পর সেটি পুরোপুরি খোলার জন্য শ্রমিকেরা সেখানে যান।

প্রথমে দুজন শ্রমিক জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের উদ্ধার করতে গিয়ে আরও দুজন আক্রান্ত হন। এরপর কাটিং ফোরম্যান এগিয়ে গিয়ে জ্ঞান হারান। কী ঘটেছে দেখতে মাস্ক পরে সেখানে যাওয়া একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তাও অচেতন হয়ে পড়েন। এভাবে একজনকে উদ্ধার করতে গিয়ে একের পর এক শ্রমিক বিষাক্ত গ্যাসের সংস্পর্শে আসেন।

দুর্ঘটনার পর জাহাজের ওই অংশে কাজ শুরুর আগে সেখানে বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছিল কি না এবং কাজের জায়গাটি নিরাপদ ঘোষণা করার প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আরও পড়ুন

দুর্ঘটনার পর জরুরি উদ্ধার ও চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়েও অভিযোগ করেছেন কারখানাটির শ্রমিকেরা। শ্রমিক মো. রফিক প্রথম আলোকে বলেন, আক্রান্ত সবাই ঘটনাস্থলেই মারা যাননি। কয়েকজনকে জাহাজ থেকে বের করে আনার পরও দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, পলাশ দাশকে উদ্ধারের পরও তিনি জীবিত ছিলেন। কিন্তু তখন কারখানায় অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক কিংবা অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিল না। সময়মতো অক্সিজেন দেওয়া গেলে প্রাণহানি কম হতে পারত বলে মনে করেন তিনি।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে তাদের দল ঘটনাস্থলে যায়। অথচ প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শ্রমিকেরা গ্যাসে আক্রান্ত হতে শুরু করেন সকাল ৯টার দিকে। দুপুরে সরেজমিনে কারখানার ভেতরে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স দেখা যায়। তবে শ্রমিকদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার সময় জরুরি চিকিৎসার এসব ব্যবস্থা ছিল না।

নিহত শ্রমিক সানি জলদাসের বোনের আহাজারি । গতকাল দুপুরে চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল জাহাজভাঙা কারখানায়
ছবি: জুয়েল শীল

মালিকপক্ষ বলছে, নিরাপত্তা নিশ্চিত ছিল

ফেব্রুয়ারিতে সরকারি পরিদর্শনে পাওয়া নিরাপত্তার ঘাটতি, নোটিশ এবং পরবর্তী মামলা নিয়ে বক্তব্য জানতে প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ফেরদৌস ওয়াহিদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হয় এবং খুদে বার্তা পাঠানো হয়। তবে তিনি সাড়া দেননি। ঘটনাস্থলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

মামলার অপর আসামি ও প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক মো. ইউসুফ আলী অবশ্য দাবি করেন, জাহাজের ব্যালাস্ট ট্যাংক থেকে বের হওয়া পানিতে দুর্গন্ধ পাওয়ার খবর পেয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তা, ফোরম্যানসহ কয়েকজন গ্যাস শনাক্তকারী যন্ত্র নিয়ে সেখানে যান। তাঁরা ভেতরে ঢোকার পর আর বের হতে না পারলে তাঁদের উদ্ধারে অন্য শ্রমিকেরা এগিয়ে যান। এভাবে একের পর এক শ্রমিক গ্যাসে আক্রান্ত হন।

নিরাপত্তায় ঘাটতির অভিযোগ অস্বীকার করে ইউসুফ আলী বলেন, কারখানায় প্রয়োজনীয় সব নিরাপত্তা সামগ্রী রয়েছে এবং শ্রমিকদের সেগুলো ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেই কাজে নামানো হয়। শুক্রবার শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানোর অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের নোটিশ ও শ্রম আদালতে করা মামলায় তাঁকে আসামি করার বিষয়ে তাঁর দাবি, এসব তাঁর জানা নেই।

ইউসুফ আলী আরও বলেন, নিহত ও আহত শ্রমিকদের আইন অনুযায়ী প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি শিপব্রেকিং অ্যাসোসিয়েশনের নির্ধারিত সহায়তা দেওয়া হবে। কারখানা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হবে বলে দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুন

‘প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে’

ফেরদৌস স্টিলে দুর্ঘটনা নতুন নয়। বিলসের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর ওপর থেকে পড়ে মৃত্যু হয় খলিলুর রহমান নামের এক শ্রমিকের। ২০২৩ সালে বৈদ্যুতিক কাজ করতে গিয়ে বাবু নামের এক শ্রমিক নিহত হন।

সর্বশেষ ৯ জনের প্রাণহানির ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরামের আহ্বায়ক তপন দত্ত। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, একটি কারখানায় নিরাপত্তার ঘাটতি সরকারি পরিদর্শনেই ধরা পড়ল, নোটিশ দেওয়া হলো, এমনকি মামলা পর্যন্ত হলো; তারপরও টনক নড়ল না। সেখানে ৯ জন শ্রমিকের মৃত্যু অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আগেও সেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, ঘাটতি শনাক্ত হওয়ার পর সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করল কে? শুধু নোটিশ ও মামলা করলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হয় না।’

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য তপন দত্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, সেখানে নিরাপত্তার ব্যাপক ঘাটতি দেখা গেছে। বিশেষ করে ভালো মানের মাস্ক ছিল না। অবশ্যই এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরকারকে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। তাদের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে। এই দুর্ঘটনায় কার অবহেলা ছিল, তদন্তে তা চিহ্নিত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।