আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের পিপি সাইয়েদুল ইসলাম প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আরজি সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট হাজীগঞ্জ পৌরসভার মেয়রের কার্যালয়ে ওই নারী কাউন্সিলর প্রয়োজনীয় কাগজে স্বাক্ষর আনার জন্য গেলে মেয়র ও কাউন্সিলর তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে তিনি চিৎকার করে সেখান থেকে কোনোরকমে বের হতে সক্ষম হন। তবে তাঁরা তাঁকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করলে তিনি আহত হন।

ঘটনার পর হাজীগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে থানা মামলা নেয়নি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই নারী কাউন্সিলর।

ওই নারী কাউন্সিলর প্রথম আলোকে বলেন, এই ঘটনার পর তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মেয়র ও কাউন্সিলরের লোকজন বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন। তিনি ঘটনার পর হাজীগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে থানা মামলা নেয়নি। ৩ নভেম্বর তিনি সংবাদ সম্মেলন করে গণমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেন। কোনো ধরনের প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে তিনি চাঁদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে হাজীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আ স ম মাহবুব-উল-আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে এটা একটা ষড়যন্ত্র।’ কাউন্সিলর কাজী মনির বলেন, ‘ওই নারী কাউন্সিলরের স্বার্থ রক্ষা না হওয়ায় আমাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনে আদালতে মামলাটি করেছেন। আমরা এই মামলার আগে মিনু আক্তারের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি এবং আদালতে মানহানির মামলা করি। চাঁদপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনও করেছি। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি আমাদের হয়রানি করতে এই মামলা করেছেন।’