গতকাল রোববার সন্ধ্যায় শিশুটিকে মাদ্রাসা ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। উপজেলার চরপাকুন্দিয়া গ্রামের দারুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা মাঠে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকুন্দিয়া পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আকন্দ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পাকুন্দিয়া থানার পরিদর্শক নাহিদ হাসান, শিক্ষাবিদ জি এম রুহুল আমিন, সমাজসেবক আতিকুর রহমান, দারুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ মুফতি মো. শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

পৌর মেয়র মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আকন্দ বলেন, ‘ছোট্ট শিশু জান্নাতুলের ঐকান্তিক ইচ্ছা, মাদ্রাসার শিক্ষকদের প্রচেষ্টা ও আল্লাহর অশেষ রহমতে সে মহাপুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। তার মতো কোরআনের হাফেজকে সংবর্ধনা দিতে পেরে আমরা খুশি।’

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘হিফজ শুরুর পরই আমরা জান্নাতুলের মধ্যে ভিন্ন প্রতিভা দেখতে পাই। সে খুবই ভদ্র ও শান্ত প্রকৃতির ছেলে। মাত্র ৫ মাসে ১৫০ দিনের সবকে সে হিফজ শেষ করেছে।’ তিনি বলেন, নুরানি ও নাজেরা শাখায় পড়াশোনা শেষ করতে প্রায় তিন বছর সময় লাগে। সেখানে তার সময় লেগেছে মাত্র ৯ মাস।

এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে জান্নাতুলের সমাপনী পড়া শোনেন কিশোরগঞ্জের যশোদল কেন্দ্রীয় বাজার জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা আলমগীর হোসেন তালুকদার। তখন মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ হিফজ বিভাগের অন্য শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

মাওলানা আলমগীর হোসেন প্রথম আলোকে বলেছিলেন, শিশুটির একাগ্রতা, হিফজ বিভাগের শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় সে অল্প সময়ে এ সফলতা পেয়েছে। জান্নাতুল যেন বরকতময় কোরআনের বাহক হতে পারে সে জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।