সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশ ভয়াবহ সংকটের দিকে ধাবিত হচ্ছে। দেশে যে বিদ্যুৎ-সংকট চলছে, তাতে জনমনে নাভিশ্বাস উঠেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ সংকট গভীর থেকে গভীরতর হবে। চলমান বিদ্যুৎ-সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার সংবাদ আসছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এর মধ্যে সার উৎপাদন কমানো হয়েছে। অচিরেই দেশে খাদ্যসংকট দেখা দিতে পারে। সরকারের বিভিন্ন মহল উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য আন্তর্জাতিক বাজার দামের ঊর্ধ্বমুখিতাকে দায়ী করছে। মূলত এ পরিস্থিতির জন্য সরকারের লোকজনের দুর্নীতি-লুটপাট, ভুল নীতি ও অব্যবস্থাপনা দায়ী।

সংগঠনের জেলা কমিটির সদস্য সাকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন সদস্যসচিব আরিফুর রহমান, সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ইয়াসমিন সুলতানা ও হাসিব আহমেদ, ছাত্র ফেডারেশনের বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি জাবের মোহাম্মদ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক জামান কবির প্রমুখ। এ সময় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন গণ-অধিকার পরিষদ বরিশাল জেলা কমিটির সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম রাসেল প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, কোনো ধরনের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত না করেই সরকার আমদানিনির্ভর জ্বালানির মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছে। যার খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। সরকার এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং করার ঘোষণা দিলেও তা এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সরকারের বিদ্যুৎ খাতের সফলতার বাণী ফাঁকা বুলিতে পরিণত হয়েছে।

রোববার ভোলায় বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশি হামলায় একজনের প্রাণহানি এবং অনেকে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বক্তারা আরও বলেন, ‘দেশে আজ ন্যূনতম নাগরিক অধিকার নেই। সভা-সমাবেশ ও বাক্স্বাধীনতার অধিকার হরণ করে সরকার যে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে, তার বহিঃপ্রকাশ ভোলায় পুলিশি হামলা। সরকার তার স্বার্থরক্ষার জন্য দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে নিজেদের কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থাকে পাকাপোক্ত করার যে অপপ্রয়াস চালাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই দুঃশাসনের বিরুদ্ধ রুখে দাঁড়াতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন