আরজু মীর বলেন, আজ বেলা ১১টার দিকে তিন ব্যক্তি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লোক পরিচয় দিয়ে তাঁর বাড়িতে ঢোকেন। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও সাত বছরের ছেলে ছিল। একপর্যায়ে ওই তিনজন তাঁর স্ত্রীর মুখ ও হাত স্কচটেপ দিয়ে আটকে দেন এবং পা ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলেন। পরে তাঁরা আলমারি থেকে ২৫-২৬ হাজার টাকা, ১টি ল্যাপটপ, হীরার ১টি আংটি, ২টি নাকফুল ও মুঠোফোন লুট করে নিয়ে যান। দুর্বৃত্তরা চলে গেলে ছেলের সহায়তায় তাঁর স্ত্রী হাত-পায়ের বাঁধন খোলেন। তাঁদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এসে তাঁদের উদ্ধার করেন।

হেমায়েতপুর ট্যানারি পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, দস্যুতার ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। দ্রুতই অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন