গত ৩০ অক্টোবর নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপা এলাকায় আবু আশফাকের বাড়ির প্রাঙ্গণে ঢাকা জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে ওই দিন কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। এর আগে ২০১৬ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত ঢাকা জেলা বিএনপির কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আবু আশফাক। ওই কমিটির সভাপতি দেওয়ান সালাউদ্দিনকে এবারের কমিটিতে রাখা হয়নি।

জেলা বিএনপির সভাপতি করায় দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আশফাক।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী দিনের আন্দোলন ও সংগ্রাম সফল করতে চাই। জেলার ১০টি ইউনিটের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে ঢাকা জেলা বিএনপিকে আন্দোলনের মডেল ইউনিট হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমাদের লক্ষ্য সরকারের পতন ঘটিয়ে খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্ত করা এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা।’

ঢাকা জেলা বিএনপির কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হওয়ার বিষয়টি নিপুণ রায়ের জন্য চমকই বলা যায়। এত দিন তিনি ছিলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি এবং দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। নিপুণ রায় মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘দল আমাকে যোগ্য মনে করে এ দায়িত্ব দিয়েছে। আন্দোলন–সংগ্রামে যারা নেতৃত্ব দিতে পারবে, দল তাদেরকেই বেছে নিয়েছে। সামনের দিনগুলোতে আন্দোলন–সংগ্রামে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করব।’