এক পরীক্ষার্থী জানায়, প্রথম থেকেই পরীক্ষা দিচ্ছিল ১৭ জন। বাকি দুজন শেষ পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা দেওয়ার জন্য মাদ্রাসার অধ্যক্ষের সঙ্গে তাদের ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে চুক্তি হয়েছে। তারা সবাই দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার নন্দইগাঁও সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

লাউথুতি হকনগর দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হামিদুর রহমান বলেন, তাঁদের মাদ্রাসাটিকে এমপিওভুক্ত করার জন্য ভুয়া পরীক্ষার্থী দিয়ে দাখিল পরীক্ষা দেওয়াচ্ছিলেন তাঁরা। এখন বুঝতে পারছেন, এটা ঠিক হয়নি।

ইউএনও আবু তাহের মো. সামসুজ্জামান বলেন, বয়স বিবেচনা করে পরীক্ষার্থীদের মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রকৃত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর মাদ্রাসাটিকে কালোতালিকাভুক্ত করা হচ্ছে।