লালনের মানবতা ও অহিংসার বাণী মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়ে আখড়াবাড়ি ছাড়তে শুরু করেন সাধু-ভক্তরা। আখড়াবাড়ি ছেড়ে যেতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অনেক বাউল। আবার দৌল উৎসবে যোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন কোনো কোনো বাউল ফকির। বাউল আবদুর রাজ্জাক বললেন, ‘যদি সারাক্ষণ এই চাঁদের মেলায় বসে থাকতে পারতাম, কতই ভালো লাগত।’

ফকির-বাউলদের সঙ্গে কাটানো সময়ের বিষয়ে সাধু মামুন মালিথা বলেন, ‘যাঁদের সঙ্গে তিন দিন প্রেম করলাম, ভালোবাসলাম, তাঁদের ছেড়ে যেতে হচ্ছে। আজ ফিরে যাচ্ছি। কিন্তু মনটা এই ধামেই পড়ে থাকবে। আবার দৌল উৎসবের অনুষ্ঠানে দেখা হবে।’
সাধু-সন্ন্যাসী আর ভক্তরা সাঁইজির গানেই ডুবে ছিলেন তিন দিন। আর লাখো মানুষের আগমনে ছেঁউড়িয়া হয়ে উঠেছিল উৎসবের এলাকা। লালনের তিরোধান দিবস ঘিরে মরা কালী নদীর পাড়ে বসা গ্রামীণ মেলা চলবে আরও কয়েক দিন।