করোনাকালে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের তালিকা হচ্ছে: মাউশি মহাপরিচালক

নরসিংদীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক
ছবি: প্রথম আলো

করোনাকালে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক। তিনি বলেন, ‘দেশজুড়ে কী পরিমাণ শিক্ষার্থী করোনাকালে ঝরে পড়েছে, তা এখনো আমরা নিশ্চিত নই। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে এ পর্যন্ত ১৯ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে তালিকা পাওয়ার পর ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা জানা যাবে। তবে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়ার হার থেকে আমরা ধারণা করছি, খুব বেশি শিক্ষার্থী ঝরে পড়বে না।’

আজ বুধবার নরসিংদী শহরের এন কে এম হাইস্কুল অ্যান্ড হোমস পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মাউশি মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক এ কথা বলেন। এর আগে তিনি শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।

গোলাম ফারুক বলেন, তাঁরা লক্ষ করেছেন, ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পর সেখানে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে। তবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে সবাই মনোযোগী ছিলেন না। সেটি নিশ্চিত করার জন্য কর্মকর্তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ঘুরে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করছেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়মিত তাপমাত্রা মাপা, হাত ধোয়া, মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব ঠিক রাখার পাশাপাশি সবাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে; এটাই তাঁদের চাওয়া।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন মাউশির পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড ইভল্যুয়েশন) আমির হোসেন, পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) সিরাজুল ইসলাম খান, উপপরিচালক (ঢাকা অঞ্চল) মনোয়ার হোসেন, নরসিংদীর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গৌতম চন্দ্র মিত্র প্রমুখ।