ঝক্কি সামলে দৌলতদিয়া ঘাট হয়ে বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা

পাটুরিয়া থেকে ফেরিতে আসা পরিবহন ও যাত্রীরা। আজ রোববার সকাল ৮টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরি ঘাটে
ছবি: এম রাশেদুল হক

পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে নানা ধরনের ঝক্কি-ঝামেলা সামলে গ্রামের টানে ছুটছেন মানুষ। আজ রোববার সকালে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে অনেক যাত্রীকে নদী পাড়ি দিয়ে আসতে দেখা গেছে। দিনে ফেরি বন্ধের খবর পেয়ে এসব মানুষ শেষ রাতে সাহ্‌রি খেয়ে রওনা হন।

আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা যায়, সবচেয়ে ব্যস্ততম ৫ নম্বর ঘাটে তিনটি ফেরি নোঙর করে আছে। ফেরিগুলো র‌্যাম তুলে পাইপের সাহায্যে পানি দিয়ে ধুইয়ে পরিষ্কার করছেন শ্রমিকেরা। এ সময় পাটুরিয়া ঘাট থেকে একটি বড় ও একটি ছোট ফেরি কিছু যানবাহন নিয়ে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ঘাটে ভেড়ে। দৌলতদিয়া প্রান্তে ঢাকামুখী হাতে গোনা কয়েকটি ছোট গাড়ি ছাড়া তেমন কোনো যানবাহন দেখা যায়নি। তবে পাটুরিয়া থেকে আসা দুটি ফেরিতে গাড়ি ও যাত্রী দেখা গেছে। ফেরি দুটি ঘাটে ভেড়ার পর তাতে কিছু পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, ব্যক্তিগত মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার ও কয়েকটি মোটরসাইকেল নামতে দেখা যায়।

ঢাকায় বিদ্যুৎ বিভাগের শ্রমিক রাকিবুল ইসলাম শেষ রাতে সাহ্‌রি খেয়ে কুষ্টিয়ার গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা করেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ৩ নম্বর ঘাটে তাঁর সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, ঈদের আগ মুহূর্তে বাড়ি যেতে অনেক বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হতে পারে। সেই প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বাড়ি ফিরছেন। ঢাকার গাবতলী থেকে মাইক্রোবাসে করে পাটুরিয়া ঘাট পর্যন্ত ৪০০ টাকা ভাড়ায় এসেছেন। ফেরিতে নদী পাড়ি দিয়ে এখন দৌলতদিয়া ঘাট থেকে কীভাবে কুষ্টিয়া যাবেন সেই চিন্তায় আছেন।

ঘাটে কর্তব্যরত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. খোরশেদ আলম বলেন, ফেরি চলাচল বন্ধ ও ঘাটে বিজিবি মোতায়েনের খবরে গাড়ি ও যাত্রীর চাপ অনেকটা কমেছে। খুব সকালে কয়েকটি ফেরি চলাচল করলে পাটুরিয়া ঘাট থেকে খুচরা যাত্রী ও মোটরসাইকেলের চাপ বাড়তে থাকে। পরে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে পুনরায় ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছে।