ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও জট নেই
ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কিছুটা বেড়েছে। তবে আজ বুধবার দুপুর পর্যন্ত কোথাও যানজট হয়নি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে যানবাহনের চাপ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন হাইওয়ে পুলিশ ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
বঙ্গবন্ধু সেতু টোল প্লাজা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার থেকে গতকাল মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে ২৩ হাজার ৬১১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গের দিকে পার হয়েছে ১১ হাজার ৯১৮ ও উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকার দিকে পার হয়েছে ১১ হাজার ৬৯৩টি যান। স্বাভাবিক অবস্থায় এ সেতু দিয়ে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ হাজার যানবাহন পারাপার হয়।
আজ দুপুরে টাঙ্গাইল শহর বাইপাস থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ঘুরে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি দেখা যায়। তবে যানবাহন চলাচলের গতি ছিল স্বাভাবিক। শহর বাইপাসের আশেকপুর, ঘারিন্দা, পৌলী সেতু, এলেঙ্গা, বঙ্গবন্ধু সেতুর গোলচত্বরসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ টহল দেখা যায়। কান্দিলা, রাবনা, বিক্রমহাটি, রসুলপুর, পৌলি, এলেঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পরিদর্শক আতোয়ার রহমান বলেন, ঈদের কারণে যানবাহনের চাপ একটু বেশি। তবে যান চলাচল এখনো স্বাভাবিক রয়েছে।
বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল প্লাজায় টোল আদায়ের জন্য লেনের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ৩-৪ লেনে টোল আদায় করা হতো। ঈদ সামনে রেখে টোল আদায়ের জন্য সাতটি লেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর বাইরেও মোটরসাইকেলের জন্য পৃথক একটি লেন আছে।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেন সড়ক। এর পর থেকে সেতু পর্যন্ত দুই লেনের সড়ক। যানবাহনের চাপে এখানে জট সৃষ্টি হয়। এই যানজট এড়াতে এবার এলেঙ্গা থেকে সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার সড়ক একমুখী (ওয়ানওয়ে) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন এই সড়ক দিয়ে সেতু পর্যন্ত যাবে।
অন্যদিকে উত্তরবঙ্গ থেকে সেতু পার হয়ে আসা যানবাহন বিকল্প সড়ক ভূঞাপুর হয়ে এলেঙ্গা পর্যন্ত আসবে। যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেলে এই ওয়ানওয়ে ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।