দৌলতখানে চেয়ারম্যান–সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি, যুবলীগ নেতা নিহত

সন্ত্রাসীদের গুলিতে খোরশেদ আলম টিটু গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সহযোগীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন
ছবি: সংগৃহীত

ভোলার দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীদের হামলায় গুলিবিদ্ধ মো. খোরশেদ আলম টিটু (৩২) মারা গেছেন। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টায় ভোলা সদর হাসপাতালে তিনি মারা যান।

এর আগে বিকেল পৌনে পাঁচটায় মেঘনা নদীর চেয়ারম্যানবাজার-নাছিরমাঝি নৌপথের হেতনার হাট এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। মদনপুর থেকে ভোলা সদরের দিকে ট্রলারে করে যাওয়ার সময় তাঁদের ওপর গুলি চালানো হয়।

মো. খোরশেদ আলম ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম কানাইনগর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা তছির আহাম্মদের ছেলে।

ভোলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা নিরুপম সরকার বলেন, টিটুর মাথায় গুলি লেগে মগজ বের হয়ে ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়েছে। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি মারা যান।

আরও পড়ুন

ট্রলারে ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম নাছির উদ্দিন ছাড়াও মো. হেলাল, আবদুল খালেক, মো. ইউসুফসহ ওই ইউপির আট সদস্য ছিলেন। এ কে এম নাছির উদ্দিন জানান, আজ দুপুরে তিনি ভোটারদের সঙ্গে দেখা করতে ইউপি সদস্যদের নিয়ে মদনপুরে যান। সেখানে আসরের নামাজ পড়ে একটি যাত্রীবাহী ট্রলারে চড়ে ভোলা সদরের দিকে যাচ্ছিলেন। ট্রলারটি হেতনার হাট এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তদের একটি দল স্পিডবোট নিয়ে এসে ট্রলারের দিকে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এ সময় ওই ট্রলারের এক যাত্রী গুলিবিদ্ধ হন। পরে হাসপাতালে তিনি মারা যান।

দ্বিতীয় ধাপে ১১ নভেম্বর ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জামাল উদ্দিনকে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো নাছির উদ্দিন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।