যশোরে করোনা শনাক্তের হার ৫১ শতাংশ

করোনা রোগী শনাক্ত
ফাইল ছবি: প্রথম আলো

যশোরে করোনা শনাক্তের হার দিন দিন বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যশোরে ৩৭৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৯৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৫১ দশমিক ৪৫ শতাংশ, যা গত এক সপ্তাহে গড়ে ৩০ শতাংশের মধ্যে ছিল। সংক্রমণের হার বাড়লেও হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়েনি। বাড়িতেই থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৮৫৫ জন।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টার ল্যাব ও র‍্যাপিড অ্যান্টিজেনে ৩৭৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৯৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। যশোর জেলায় এখন করোনা রোগী আছে ৮৫৫ জন। এর মধ্যে যশোর সদর উপজেলাতেই অবস্থান করছে ৬১৭ জন। যশোরের একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড যশোর জেনারেল হাসপাতালের রেড জোনে ১৩ জন রোগী ভর্তি আছেন। যশোরে গতকাল রোববার করোনা সংক্রমণের হার ছিল ৪৭ শতাংশ। এর আগের এক সপ্তাহে ৩০ শতাংশের নিচে ছিল। করোনায় মৃত্যুর ঘটনা না থাকলেও প্রতিদিনই সংক্রমণ বাড়ছে।

এদিকে করোনা প্রতিরোধে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে আজ সোমবার সকালে জুমে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক হয়। জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান, পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, সিভিল সার্জন বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস, যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আকতারুজ্জামান, পৌরসভার মেয়র হায়দার গণি খান প্রমুখ।

যশোরে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, করোনা প্রতিরোধ কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, চলতি মাসের মধ্যে যশোরে ৭০ শতাংশ মানুষকে করোনা টিকার আওতায় আনা হবে। এ জন্য যশোর সদর, শার্শা ও অভয়নগর উপজেলায় বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। মানুষের মধ্যে প্রচার বাড়ানো হবে। যশোর মেডিকেল কলেজে ছয় মাস ধরে পড়ে থাকা করোনা পরীক্ষার আরটি-পিসিআর যন্ত্র দ্রুত চালু করার জন্য সিভিল সার্জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাস্ক পরার বিষয়ে জোরদার করা হবে। এ ছাড়া উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন আগের গঠিত করোনা প্রতিরোধ কমিটিকে সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যশোর জেনারেল হাসপাতালকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।